কীভাবে একটি ছোট উদ্যোগ আজ বাংলাদেশের লক্ষাধিক মানুষের প্রিয় গেমিং প্ল্যাটফর্মে পরিণত হলো — সেই রোমাঞ্চকর যাত্রার কাহিনী জানুন।
hibaj-এ যোগ দিন
২০২১ সালের শুরুতে, যখন বাংলাদেশে ডিজিটাল রূপান্তরের ঢেউ উঠছিল, তখন hibaj-এর যাত্রা শুরু হয়। ঢাকার একটি ছোট্ট প্রযুক্তি দলের হাত ধরে জন্ম নেয় এই প্ল্যাটফর্ম, যার মূল লক্ষ্য ছিল বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের কাছে নিরাপদ ও মনোরঞ্জনমূলক অনলাইন গেমিং পৌঁছে দেওয়া।
সেই সময় বাংলাদেশে bKash-এর ব্যাপক প্রসার ঘটছিল। চট্টগ্রামের একজন মাছ ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে সিলেটের রেমিট্যান্স-নির্ভর পরিবার — সবাই মোবাইল ওয়ালেটে অভ্যস্ত হচ্ছিল। hibaj ঠিক এই সুযোগটাকেই কাজে লাগায় — বাংলাদেশি পেমেন্ট পদ্ধতির সাথে তাল মিলিয়ে একটি স্থানীয় গেমিং অভিজ্ঞতা তৈরি করে।
প্রথম দিকে মাত্র কয়েকশো সদস্য নিয়ে শুরু হলেও, মুখে মুখে ছড়িয়ে পড়া ইতিবাচক অভিজ্ঞতার কথা hibaj-কে দ্রুত জনপ্রিয় করে তোলে। বিশেষ করে BPL ক্রিকেট সিজনে লাইভ বেটিং সুবিধা চালু হওয়ার পর hibaj-এর সদস্য সংখ্যা এক লাফে কয়েকগুণ বেড়ে যায়।
প্রথম বছরেই ১০,০০০ সদস্য অর্জন — বাংলাদেশের গেমিং ইতিহাসে একটি রেকর্ড।
শুরু থেকেই স্বচ্ছতা ও ন্যায্য খেলার প্রতিশ্রুতি — যা আজও hibaj-এর মূলনীতি।
bKash ও Nagad ইন্টিগ্রেশন থেকেই বোঝা গিয়েছিল — hibaj বাংলাদেশের জন্যই তৈরি।
বাংলাদেশের একমাত্র প্ল্যাটফর্ম যেখানে প্রথম দিন থেকেই সব কিছু বাংলায় ছিল।
২০২১ থেকে আজ পর্যন্ত hibaj-এর উত্থানের ধাপে ধাপে গল্প।
ঢাকায় একটি ছোট্ট প্রযুক্তি দলের উদ্যোগে hibaj-এর প্রথম সংস্করণ চালু হয়। প্রাথমিকভাবে ক্রিকেট বেটিং ও কয়েকটি স্লট গেম নিয়ে শুরু। প্রথম সপ্তাহেই ৫০০ জন নিবন্ধন করেন।
hibaj প্রথম বাংলাদেশি গেমিং প্ল্যাটফর্ম হিসেবে সরাসরি bKash পেমেন্ট গেটওয়ে চালু করে। এই পদক্ষেপ সদস্য সংখ্যা ৩ গুণ বাড়িয়ে দেয়। বিশেষ করে ঢাকা ও চট্টগ্রামের ব্যবহারকারীরা দলে দলে যোগ দিতে শুরু করেন।
T20 World Cup মৌসুমে hibaj লাইভ ইন-প্লে বেটিং সুবিধা যোগ করে। বাংলাদেশ টাইগার্সের প্রতিটি ম্যাচে হাজার হাজার খেলোয়াড় একসাথে বাজি ধরতে শুরু করেন। এটি hibaj-এর ইতিহাসে একটি টার্নিং পয়েন্ট।
বিশ্বের দুটি শীর্ষ গেম প্রভাইডারের সাথে চুক্তি স্বাক্ষরের পর hibaj-এর গেম সংগ্রহ ৫০০ ছাড়িয়ে যায়। লাইভ ক্যাসিনো বিভাগ যোগ হওয়ার পর মহিলা ব্যবহারকারীদের সংখ্যাও উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ে।
বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে hibaj প্রথমবার বিশেষ ট্রেজার হান্ট ইভেন্ট আয়োজন করে। মোট পুরস্কার পুল ছিল ৳৫০ লাখ। মাত্র ৩ দিনে ১৫,০০০ জন অংশগ্রহণকারী — যা সবার প্রত্যাশা ছাড়িয়ে যায়।
সরকার সমর্থিত Nagad এবং Dutch-Bangla Bank-এর Rocket ওয়ালেট যোগ হওয়ার পর hibaj বাংলাদেশের সব প্রধান মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিস কভার করে। এই পদক্ষেপ রাজশাহী, খুলনা ও রংপুরের ব্যবহারকারীদের কাছে hibaj-কে আরও সহজলভ্য করে।
বিজয় দিবসে hibaj ২৫,০০০ নিবন্ধিত সদস্যের মাইলফলক স্পর্শ করে। এই উপলক্ষে বিশেষ বোনাস ইভেন্ট আয়োজন করা হয়। সিলেট ও ময়মনসিংহ থেকে আসা সদস্য সংখ্যা এই সময় দ্বিগুণ হয়।
স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে hibaj তার প্ল্যাটফর্মে নতুন নিরাপত্তা স্তর ও দায়িত্বশীল গেমিং সরঞ্জাম যোগ করে। স্ব-বর্জন, জমার সীমা এবং রিয়েলিটি চেক ফিচার চালু হয়। এটি hibaj-এর খেলোয়াড় সুরক্ষা প্রতিশ্রুতির একটি বড় মাইলফলক।
ঈদের শুভ উপলক্ষে hibaj তার ব্রোঞ্জ-সিলভার-গোল্ড তিন স্তরের লয়্যালটি প্রোগ্রাম চালু করে। প্রথম মাসেই ৫,০০০ জন সদস্য গোল্ড টায়ারে পৌঁছান। VIP ম্যানেজার সুবিধা চালু হওয়ার পর গ্রাহক সন্তুষ্টি রেটিং ৯৪%-এ পৌঁছায়।
নতুন বছরে hibaj ৫০,০০০ নিবন্ধিত সদস্য এবং ১,২০০টিরও বেশি গেমের ঐতিহাসিক মাইলফলক স্পর্শ করে। Spribe ও Ezugi-র গেম যোগ হওয়ার পর প্ল্যাটফর্ম আরও পূর্ণাঙ্গ হয়। hibaj এখন বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বাংলাভাষী গেমিং প্ল্যাটফর্ম।
hibaj-এ যোগ দিন এবং বাংলাদেশের সেরা গেমিং কমিউনিটির একজন গর্বিত সদস্য হন।
এখনই শুরু করুনকোন গেমগুলো hibaj-কে আজকের অবস্থানে নিয়ে এসেছে — সেই যাত্রার গল্প।
hibaj-এর প্রথম ও সবচেয়ে জনপ্রিয় বিভাগ। BPL, IPL, T20 World Cup — বাংলাদেশ টাইগার্সের প্রতিটি ম্যাচে লাইভ বেটিং।
প্রতিষ্ঠাতা বিভাগPragmatic Play-এর প্রথম স্লট সংগ্রহ দিয়ে শুরু। আজ ৮০০+ স্লট গেম নিয়ে hibaj-এর স্লট বিভাগ পরিপূর্ণ।
প্রতিষ্ঠাতা বিভাগEvolution Gaming ও Ezugi-র লাইভ ডিলার গেম। বাকারা, রুলেট, ব্ল্যাকজ্যাক — সব এক জায়গায়।
দ্বিতীয় পর্যায়পহেলা বৈশাখ ইভেন্টের পর স্থায়ী বিভাগ হিসেবে যোগ হয়। এটি hibaj-এর সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল বিভাগ।
তৃতীয় পর্যায়Spribe-এর Aviator চালু হওয়ার পর তরুণ প্রজন্মের কাছে hibaj বিশেষ জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।
তৃতীয় পর্যায়ভার্চুয়াল ক্রিকেট, ফুটবল ও হর্স রেসিং যোগ হওয়ার পর ২৪/৭ বেটিং সুযোগ তৈরি হয়।
চতুর্থ পর্যায়আন্দার বাহার, তিন পাতি ও অন্যান্য দক্ষিণ এশীয় জনপ্রিয় টেবিল গেম hibaj-এ যোগ হয়।
চতুর্থ পর্যায়ক্রিকেট ছাড়াও ফুটবল, কাবাডি, হকি ও টেনিস বেটিং চালু হয়ে hibaj-এর স্পোর্টস বিভাগ পূর্ণাঙ্গ হয়।
সর্বশেষ পর্যায়
"আমরা শুধু একটি গেমিং প্ল্যাটফর্ম বানাতে চাইনি — আমরা চেয়েছিলাম বাংলাদেশের মানুষের জন্য একটি বিশ্বস্ত ডিজিটাল বিনোদনের জায়গা তৈরি করতে, যেখানে তারা নিজের ভাষায়, নিজের পরিচিত পেমেন্ট পদ্ধতিতে খেলতে পারবেন।"
২০২১ সালে যখন hibaj চালু হয়, তখন বাংলাদেশে অনলাইন গেমিং প্ল্যাটফর্মের ঘাটতি ছিল না — কিন্তু বাংলায় পরিচালিত, বাংলাদেশি পেমেন্ট সমর্থিত এবং স্থানীয় সংস্কৃতির সাথে সংযুক্ত কোনো প্ল্যাটফর্ম কার্যত ছিল না। hibaj এই শূন্যস্থানটা পূরণ করেছে।
ঢাকার পুরান শহর থেকে শুরু করে কক্সবাজারের পর্যটন এলাকা — hibaj-এর সদস্যরা বাংলাদেশের প্রতিটি জেলায় ছড়িয়ে আছেন। বিশেষভাবে তরুণ প্রজন্ম, যারা BPL বা IPL-এর ভক্ত এবং মোবাইলে সময় কাটান, তাদের কাছে hibaj দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।
hibaj-এর ইতিহাসে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তগুলোর একটি ছিল ২০২২ সালের পহেলা বৈশাখ ইভেন্ট। মাত্র তিন দিনে ১৫,০০০ জন অংশগ্রহণকারী এবং ৳৫০ লাখ পুরস্কার পুল — এই ইভেন্টটি বাংলাদেশের অনলাইন গেমিং ইতিহাসে একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছিল।
Nagad-এর সাথে ইন্টিগ্রেশন আরেকটি বড় পদক্ষেপ ছিল। সরকার-সমর্থিত এই ওয়ালেটটি বিশেষ করে গ্রামীণ ও মফস্বলের মানুষের কাছে জনপ্রিয় — যাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নেই কিন্তু Nagad ব্যবহার করেন। hibaj এই সুযোগে রংপুর, বরিশাল ও ময়মনসিংহ অঞ্চলে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে।
২০২৩ সাল থেকে hibaj দায়িত্বশীল গেমিং-এ বিশেষ মনোযোগ দেয়। স্ব-বর্জন ব্যবস্থা, জমার সীমা, সেশন টাইমার — এই টুলগুলো যোগ করার পর hibaj একটি মাত্র বিনোদন প্ল্যাটফর্ম থেকে একটি দায়িত্বশীল ও নৈতিক গেমিং ইকোসিস্টেমে পরিণত হয়।
আজ hibaj বাংলাদেশের বৃহত্তম বাংলাভাষী অনলাইন গেমিং প্ল্যাটফর্ম। ৫০,০০০+ সদস্য, ১,২০০+ গেম, ৳২ কোটি+ দৈনিক পেআউট — এই পরিসংখ্যান শুধু সংখ্যা নয়, এগুলো hibaj-এর বিশ্বাসযোগ্যতার প্রমাণ।
বাংলাদেশে সম্পূর্ণ বাংলায় পরিচালিত প্রথম গেমিং প্ল্যাটফর্ম।
bKash ও Nagad-এ ৫ মিনিটের মধ্যে উত্তোলন নিশ্চিত।
SSL এনক্রিপশন ও RNG যাচাইকৃত ন্যায্য গেমিং।
বাংলায় ২৪/৭ লাইভ চ্যাট ও ইমেইল সাপোর্ট।
প্রতিটি সংখ্যার পেছনে রয়েছে হাজারো বাংলাদেশির বিশ্বাস ও ভালোবাসার গল্প।
২০২১ সালের শুরু থেকে ২০২৪ পর্যন্ত hibaj-এর রূপান্তর।
| বৈশিষ্ট্য | ২০২১ সালে (শুরুতে) | ২০২৪ সালে (বর্তমান) |
|---|---|---|
| নিবন্ধিত সদস্য | ৫০০ জন | ৫০,০০০+ জন |
| গেম সংগ্রহ | ৫০টি গেম | ১,২০০+ গেম |
| পেমেন্ট পদ্ধতি | শুধু bKash | bKash, Nagad, Rocket, Upay |
| গেম প্রভাইডার | ২টি প্রভাইডার | ১০+ শীর্ষ প্রভাইডার |
| লাইভ ক্যাসিনো | ✗ ছিল না | ✓ পূর্ণাঙ্গ লাইভ ক্যাসিনো |
| ট্রেজার হান্ট | ✗ ছিল না | ✓ ৫০+ ট্রেজার গেম |
| মোবাইল অ্যাপ সাপোর্ট | ✗ ছিল না | ✓ সম্পূর্ণ মোবাইল-অপ্টিমাইজড |
| লয়্যালটি প্রোগ্রাম | ✗ ছিল না | ✓ ৩-স্তরের VIP প্রোগ্রাম |
| সাপোর্ট সময় | সীমিত সময় | ২৪/৭ বাংলায় সাপোর্ট |
| দায়িত্বশীল গেমিং টুলস | ✗ ছিল না | ✓ সম্পূর্ণ টুলসেট উপলব্ধ |
hibaj-এর ইতিহাস শুধু অতীতের কথা বলে না — ভবিষ্যতের পথও দেখায়। আগামী বছরগুলোতে hibaj আরও বেশি বাংলাদেশি ব্যবহারকারীর কাছে পৌঁছাতে চায়। বরিশাল, রংপুর ও পার্বত্য চট্টগ্রামের মতো প্রত্যন্ত অঞ্চলেও hibaj-এর সেবা আরও সহজলভ্য করার পরিকল্পনা চলছে।
প্রযুক্তিগত দিক থেকে hibaj কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) ব্যবহার করে ব্যক্তিগতকৃত গেম সুপারিশ ও প্রতারণা প্রতিরোধ ব্যবস্থা উন্নত করার কাজ করছে। এছাড়া নতুন গেম বিভাগ যেমন ই-স্পোর্টস বেটিং এবং কাবাডি বেটিং (বাংলাদেশের জাতীয় খেলার প্রতি সম্মান জানিয়ে) যোগ করার পরিকল্পনাও রয়েছে।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, hibaj তার দায়িত্বশীল গেমিং অঙ্গীকার আরও শক্তিশালী করতে চায়। যুব সমাজের মধ্যে সচেতনতা তৈরি, স্ব-মূল্যায়ন কুইজ প্রসার এবং সমস্যাগ্রস্ত খেলোয়াড়দের সহায়তায় বিশেষ তহবিল গঠন — এই পরিকল্পনাগুলো hibaj-এর ভবিষ্যৎ কর্মসূচির অংশ।
hibaj-এর ইতিহাস জুড়ে একটি বিষয় কখনো পরিবর্তিত হয়নি — খেলোয়াড়দের কল্যাণ সবসময় ব্যবসায়িক স্বার্থের আগে। hibaj শুধুমাত্র ১৮ বছর বা তার বেশি বয়সীদের জন্য।
আরও জানতে দেখুন: দায়িত্বশীল খেলা
hibaj-এর ইতিহাস ও যাত্রা সম্পর্কে খেলোয়াড়দের জিজ্ঞাসিত প্রশ্নের উত্তর।
৫০,০০০+ সদস্যের সাথে যোগ দিন এবং বাংলাদেশের গেমিং ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় লিখুন।
hibaj-এ যোগ দিন এখনই